গত শনিবার ফ্লোরিডায় এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, নিরাপদে ক্ষমতা হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা ‘পরিচালনা’ করবে।

রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কে ধরে নেওয়ার পর দেশটি কে চালাবে তা নিয়ে ৪৩ শতাংশ মার্কিন জনগণ ক্ষমতায় নতুন সরকার গঠিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের শাসন চান না। ৩৪ শতাংশ সমর্থন করেন এবং ২০ শতাংশ নিশ্চিত নন। একই জরিপে মাদুরোকে ধরে আনার পক্ষে ৩৩ শতাংশ এবং বিপক্ষে ৩৪ শতাংশ মার্কিন মত দিয়েছেন। ৩২ শতাংশ অবস্থান নির্ধারণ করেননি। ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের বিরোধিতা করেছেন ৪৭ শতাংশ এবং সমর্থন করেছেন ৩০ শতাংশ।

বিবিসির দক্ষিণ আমেরিকা সংবাদদাতা আইওন ওয়েলসের লেখায় জানা গেছে, ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন ভেনেজুয়েলা তাঁদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে বাস্তবে দেশটির সরকার কার্যকরভাবে ক্ষমতায় আছে। অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন দেলসি রদ্রিগেজ, যিনি মাদুরোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং ২০১৮ সাল থেকে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। মাদুরোর অনেক মন্ত্রী পদে বহাল রয়েছেন এবং সেনাবাহিনী রদ্রিগেজের প্রতি অনুগত।

ট্রাম্প রদ্রিগেজকে সতর্ক করে বলেছেন, ‘সঠিক কাজ’ না করলে মাদুরোর মতো বা তার চেয়ে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করেছিলেন, মাদুরো ধরে নেওয়ার পর ট্রাম্প বিরোধী পক্ষকে ক্ষমতায় আনবেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত তা হয়নি।