পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি রুবেল প্যাদা (৩৫) কে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত সোমবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় রুবেল শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং বস্তায় ভরে রান্নাঘরের পাশে রাখেন। শিশুর বাবা বাবুল প্যাদার নির্দেশে এবং আর্থিক লেনদেনের পর এ ঘটনা ঘটে। বাবা নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে থানায় জিডি করেন। গত রোববার সন্ধ্যায় পুলিশ শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে। বাবুল প্যাদাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মঙ্গলবার আদালতে হাজির করা হবে।
ওসির বক্তব্য অনুসারে, শিশুর মা দীর্ঘদিন বিদেশে। বাবা শিশুর সমবয়সী এক মেয়ের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়ান, যা শিশু বোনকে জানায়। পরিবারে কলহ দেখা দেয় এবং গোপন রাখতে বাবা আত্মীয় রুবেলের সঙ্গে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ভুক্তভোগীর বড় বোন বাদী হয়ে মামলা করেন।
পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসক সেঁজুতি সরকার জানান, শিশুর শারীরিক পরীক্ষায় একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ কিছু গলে যাওয়ায় ধর্ষণ প্রাথমিকভাবে শনাক্ত হয়নি, ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হবে।