যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করেছে। এরপর দেশের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের কাছে ট্রাম্প প্রশাসন কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, রদ্রিগেজকে মাদক পাচার কঠোরভাবে দমন করতে হবে, ইরান, কিউবা এবং যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী অন্যান্য দেশের নেটওয়ার্ক বা গোয়েন্দাদের দেশ থেকে তাড়াতে হবে এবং শত্রুদেশগুলোর কাছে তেল বিক্রি বন্ধ করতে হবে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মাদুরোকে গ্রেপ্তার শাসন পরিবর্তন বা যুদ্ধের অংশ নয়, বরং একজন মাদক সম্রাটের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের অভিযান। যুক্তরাষ্ট্র রদ্রিগেজের কাছ থেকে অবাধ নির্বাচন ও ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রত্যাশা করছে, যদিও কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি। বর্তমানে ভেনেজুয়েলায় নির্বাচনের সম্ভাবনা নেই বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের বলেন, ভেনেজুয়েলা ভালো আচরণ করছে, কিন্তু না করলে দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে গোলার্ধের জন্য হুমকি না করে তুলবে। রদ্রিগেজ মাদুরো গ্রেপ্তারের নিন্দা করলেও পরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার কথা বলেছেন। ওয়াশিংটন তাঁর কাতার-তুরস্কে সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের টোপ দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। ভেনেজুয়েলায় বন্দী মার্কিন নাগরিকদের মুক্তির দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।